আসছে ফিফার নতুন নির্দেশনা, মাঠে থুতু ফেললেই হলুদ কার্ড!

আসছে ফিফার নতুন নির্দেশনা, মাঠে থুতু ফেললেই হলুদ কার্ড!

ক্রিকেটে আলোচনাটা উস্কে দিয়েছে খোদ আইসিসি বলে থুতু কিংবা লালা ব্যবহার করা যাবে না। পরিবর্তে বল টেম্পারিংকেই বৈধতা দিতে যাচ্ছে তারা। এবার ফিফাও ফুটবলারদের থুতু কিংবা মুখের পানি ফেলা নিয়ে সুনির্দিষ্ট আইন করতে যাচ্ছে। ফুটবল ফেরার পর কোনো ফুটবলারকে যদি দেখা যায় যে মাঠে থুতু ফেলেছে কিংবা পানি খেতে গিয়ে সেই পানি বাতাসে ছুঁড়ে দিয়েছে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই দেখানো হতে পারে হলুদ কার্ড।

করোনাভাইরাসের কারণে আপাতত সব দেশের লিগ বন্ধ। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং কোপা আমেরিকা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে ১ বছর। ইউরোপিয়ান লিগগুলো শুরু করা হবে কি হবে না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না কর্মকর্তারা।

জর্মানি, ইতালি, স্পেন এবং ইংল্যান্ড চিন্তা-ভাবনা করছে খেলা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে। যদিও ফ্রান্স লিগ শেষ না করেই বাকিটুকু বাতিল ঘোষণা করে দিয়ে পিএসজিকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে দিয়েছে। বাকিগুলোতে লিগ শুরু করা যাবে কিনা, তা ঠিক করতে ২৫ মে পর্যন্ত সময় দিয়েছে উয়েফা। ২৭ মে ৫৫টি দেশের ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ নিয়ে আলোচনা করবে ইউরোপিয়ান ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা।

এই ভিডিও কনফারেন্সে উয়েফা জানতে চাইবে, আগস্টের মধ্যে লিগগুলো শেষ করা যাবে কিনা। তবে সংশ্লিষ্ট দেশের পরিস্থিতি যদি খুব খারাপ হয় এবং সে দেশের সরকারই ফুটবল শুরুর ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিতে না পারে, সে ক্ষেত্রে তাদের জন্য ২৭ মে’র পরও জানানোর সুযোগ থাকবে।

থুতু ফেললে হলুদ কার্ডের ধারণাটি এসেছে ফিফার মেডিক্যাল কমিটির কর্মকর্তাদের মাথায়। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ফুটবল চালানোর কথা ভাবা হচ্ছে। ফিফা মেডিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান মাইকেল ডি হুগি হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন, মাঠের মধ্যে থুতু কিংবা মুখ থেকে পানি ছিটিয়ে ফেলার ফলে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে। যার ফলে নতুন নিয়ম করা হবে, মাঠে থুতু ফেললেই রেফারি হলুদ কার্ড দেখাবেন। মোট কথা, যে কোনও অস্বাস্থ্যকর কাজের জন্য হলুদ কার্ড চালু করার কথা চিন্তা করছে ফিফা।

এদিকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ আপাতত ঠিক করেছে, ৮ জুন লিগ শুরু করার। লক্ষ্য থাকবে জুলাইয়ের শেষে লিগ শেষ করার। ইপিএলের মোট ৯২টি ম্যাচ বাকি আছে এখনও। দ্রুত লিগ শেষ করতে নির্দিষ্ট কিছু মাঠে খেলাগুলি হতে পারে।

এমনকি প্রস্তাব এসেছে খেলা শুরুর পর সপ্তাহে দু’‌বার সব ফুটবলার ও সমস্ত স্টাফদের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করতে হবে। যার জন্য প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষকে খরচ করতে হবে ৪০ লক্ষ পাউন্ড। এত কিট শুধু ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফদের একাংশের উপর ব্যবহার করা নিয়ে কিছু ক্লাবের মেডিক্যাল স্টাফরাই অবশ্য প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন।