উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় সব ব্যাংকে হেল্প ডেস্ক চালুর নির্দেশ

উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় সব ব্যাংকে হেল্প ডেস্ক চালুর নির্দেশ

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) টিকিয়ে রাখতে ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের বিশেষ ঋণ সুবিধার ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ তহবিল থেকে ঋণ সুবিধা প্রদানে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিটি শাখায় আবশ্যিকভাবে একটি স্বতন্ত্র হেল্প ডেস্ক গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পাশাপাশি ঋণ প্রদানে সহায়ক জামানত হিসেবে উদ্যোক্তাদের থেকে এসব গ্যারান্টি নেয়ার বিদ্যমান নির্দেশনা অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত সিএমএসএমই প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ আবেদন গ্রহণ থেকে বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে যথাসাধ্য সহজ কর্মপন্থা অনুসরণ করে দ্রুততম সময়ে ঋণ বিতরণ করতে হবে। উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতিটি শাখায় আবশ্যিকভাবে স্বতন্ত্র হেল্প ডেস্ক গঠন করতে হবে এবং সহজে দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রদর্শন করতে হবে।

ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে সহায়ক জামানত হিসেবে ব্যক্তিগত, সামাজিক গ্রুপ গ্যারান্টি গ্রহণ সংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশনা এ প্যাকেজের আওতায়ও অনুসরণীয় হবে। বাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনে ঋণগ্রহীতা নির্বাচন, ঋণ বিতরণ ও আদায় সংক্রান্ত কার্যক্রমে এফবিসিসিআই বা এর সদস্য চেম্বার বা অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া ঋণ বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করার লক্ষ্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ প্রধান কার্য্যালয় একটি বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করে, ওই টিমের সদস্যদের নাম, ফোন নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমএস স্পেশাল প্রোগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফোকাল কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।

এর আগে করোনাভাইরাসের অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় সিএমএসএমই শিল্পের জন্য চলতি মূলধন ঋণ জোগানে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিলের ব্যবহার নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ তহবিল থেকে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন উদ্যোক্তারা। তবে সরকারের দেয়া ৫ শতাংশ ভর্তুকিসহ ব্যাংক সুদ পাবে ৯ শতাংশ। কোনো ঋণ খেলাপি এবং খেলাপি হিসেবে সুবিধা নিয়েছেন এমন কেউ প্রণোদনার ঋণ পাবেন না।