‘নো মাস্ক, নো সেল : ঝালকাঠির পুলিশ সুপার

রহিম রেজা, ঝলকাঠি প্রতিনিধি ।। ঝালকাঠিতে ঈদকে সামনে রেখে আগামী ১০ মে থেকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। 'নো মাস্ক, নো সেল' বিষয় নিয়ে প্রচারণা শুরু করেছে তারা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর চৌমাথায় রাস্তার মধ্যে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে ডেকে এ প্রচারণা শুরু করে পুলিশ। পরে শহরের বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে 'নো মাস্ক, নো সেল' লেখা লিফলেট পথচারী ও ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেন তিনি। ঝালকাঠিতে ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় জেলাজুড়ে আতঙ্ক থাকায় পুলিশও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নতুন জামা কেনার চেয়ে জীবনের নিরাপত্তার ওপর গুরুত্ব দিতে জনসাধারণকে আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন। ব্যবসায়ীরাও সামাজিক দূরত্বে বেচাকেনা করার প্রতিশ্রুতি দেন। স্বল্পপরিসরে দোকান খোলা না রাখলে পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার। জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষকে অবশ্যই বড় আকারের ছাতা ব্যবহারের তাগিদ দেন তিনি। ছাতা ব্যবহারে তিন ফুট দূরত্ব বজায় থাকবে। প্রচারণায় অংশ নেয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহমুদ হাসান, ঝালকাঠি থানার ওসি খলিলুর রহমান, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহম্মেদ সালেক ও পরিচালক মনিরুল ইসলাম তালুকদার। পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেন, সবচেয়ে বড় একটি বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে, ঈদে নতুন জামা কেনার চেয়ে, জীবনের নিরাপত্তা অনেক বেশি প্রয়োজন। নতুন জামা কিনতে গিয়ে আপনি করোনা আক্রান্ত হলেন এটা ভালো, নাকি ঘরে বসে নিরাপদে থেকে করোনা মুক্ত থাকবেন, এটা ভালো। এ ব্যাপারে আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমাদের পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, ক্রেতারা মাস্ক না পরলে কোনো পণ্য বিক্রি করা যাবে না। এ বিষয়ে আমরা প্রচারণা শুরু করেছে। ঈদ পর্যন্ত আমাদের এই প্রচারণা চলবে। এ ছাড়াও ঘরের বাইরে বের হলে অবশ্যই একটি ছাতা নিয়ে বের হবেন। এতে তিন ফুট, অর্থাৎ সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকবে। পুলিশের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি।

রহিম রেজা, ঝলকাঠি প্রতিনিধি ।। ঝালকাঠিতে ঈদকে সামনে রেখে আগামী ১০ মে থেকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। ‘নো মাস্ক, নো সেল’ বিষয় নিয়ে প্রচারণা শুরু করেছে তারা।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর চৌমাথায় রাস্তার মধ্যে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে ডেকে এ প্রচারণা শুরু করে পুলিশ। পরে শহরের বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে ‘নো মাস্ক, নো সেল’ লেখা লিফলেট পথচারী ও ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেন তিনি।

ঝালকাঠিতে ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় জেলাজুড়ে আতঙ্ক থাকায় পুলিশও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নতুন জামা কেনার চেয়ে জীবনের নিরাপত্তার ওপর গুরুত্ব দিতে জনসাধারণকে আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন। ব্যবসায়ীরাও সামাজিক দূরত্বে বেচাকেনা করার প্রতিশ্রুতি দেন। স্বল্পপরিসরে দোকান খোলা না রাখলে পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষকে অবশ্যই বড় আকারের ছাতা ব্যবহারের তাগিদ দেন তিনি। ছাতা ব্যবহারে তিন ফুট দূরত্ব বজায় থাকবে। প্রচারণায় অংশ নেয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহমুদ হাসান, ঝালকাঠি থানার ওসি খলিলুর রহমান, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহম্মেদ সালেক ও পরিচালক মনিরুল ইসলাম তালুকদার।

পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেন, সবচেয়ে বড় একটি বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে, ঈদে নতুন জামা কেনার চেয়ে, জীবনের নিরাপত্তা অনেক বেশি প্রয়োজন। নতুন জামা কিনতে গিয়ে আপনি করোনা আক্রান্ত হলেন এটা ভালো, নাকি ঘরে বসে নিরাপদে থেকে করোনা মুক্ত থাকবেন, এটা ভালো। এ ব্যাপারে আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমাদের পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, ক্রেতারা মাস্ক না পরলে কোনো পণ্য বিক্রি করা যাবে না।

এ বিষয়ে আমরা প্রচারণা শুরু করেছে। ঈদ পর্যন্ত আমাদের এই প্রচারণা চলবে। এ ছাড়াও ঘরের বাইরে বের হলে অবশ্যই একটি ছাতা নিয়ে বের হবেন। এতে তিন ফুট, অর্থাৎ সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকবে। পুলিশের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি।