বরিস জনসনের কাজে ফেরার দিনক্ষণ অনিশ্চিত

বরিস জনসনের কাজে ফেরার দিনক্ষণ অনিশ্চিত

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তবে তিনি কবে নাগাদ কাজে যোগ দিতে পারবেন তা এখনও অনিশ্চিত।

ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকুক জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী জনসন কবে কাজে ফিরবেন সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ম্যাট হ্যানকুক বলেন, গতকাল আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি এখন ভালো আছেন। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা নিশ্চিত হয়ে জানালেই তিনি দ্রুত কাজে ফিরবেন।

যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে প্রধানমন্ত্রী সবার সঙ্গে ফোনে কথা বলছেন এবং যোগাযোগ রাখছেন।

চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

গত মাসে প্রধানমন্ত্রী জনসনের শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর তিনি সেলফ আইসোলেশনে ছিলেন। তবে সেলফ আইসোলেশনে থাকার ১০দিন পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে নেওয়ার আগ পর্যন্ত নিজের দায়িত্ব পালন করে গেছেন জনসন। শরীরে প্রচণ্ড তাপমাত্রা এবং কাশি নিয়েও একের পর এক ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়েছেন তিনি।

হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে করোনার সঙ্গে রীতিমত যুদ্ধ করতে হয়েছে তাকে। তার শরীরে করোনা মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিলে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পরিবর্তে এই মুহূর্তে করোনা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দায়িত্বে আছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী জনসনের করোনায় আক্রান্তের ঘটনা পুরো ব্রিটিশ সরকারকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশের একেবারে শীর্ষস্থানীয় নেতার করোনায় আক্রান্তের ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে।

জনসনের প্রধান স্বাস্থ্য উপদেষ্টাও সেলফ আইসোলেশনে ছিলেন। এমনকি জনসনের অন্তঃসত্ত্বা হবু স্ত্রী ৩২ বছর বয়সী কেরি সিমন্ডসের শরীরে করোনার লক্ষণ দেখা দিলেও তিনি এখন ভালো আছেন।

টিটিএন/এমকেএইচ