মোদিকে আনফলো করার ব্যাখ্যা দিল যুক্তরাষ্ট্র

মোদিকে আনফলো করার ব্যাখ্যা দিল যুক্তরাষ্ট্র
  • 4
    Shares

যুক্তরাষ্ট্রকে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন দেয়ার পরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির টুইটার ফলো করা শুরু করে হোয়াইট হাউস। কিন্তু এর তিন সপ্তাহ যেতে না যেতেই মোদির টুইটার আনফলো করে দিয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্টের বাসভবন।

সেই সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী অফিস এবং ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাসকেও আনফলো করে দিয়েছে। তবে নরেন্দ্র মোদির টুইটার অ্যাকাউন্ট আনফলো করার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

হোয়াইট হাউসের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট যখন কোনো দেশে ভ্রমণে যান, তখন ওই দেশের শীর্ষ কর্তাদের সাময়িকভাবে ফলো করে দেশটি। যেহেতু ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভারত সফর করেছিলেন, তাই নরেন্দ্র মোদি ও রামনাথ কোবিন্দসহ যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় দূতাবাসকেও ফলো করা শুরু করেছিল হোয়াইট হাউস।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, হোয়াইট হাউস টুইটারে সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের ফলো করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কোনো দেশে ভ্রমণে গেলে, ভ্রমণের সুবিধার্থে সাময়িক সময়ের জন্য ওই দেশের শীর্ষ কর্তাদের ফলো করা হয়।

তবে হোয়াইট হাউসের এই আচরণের ফলে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে প্রশ্ন উঠতে থাকে। বিশেষত বর্তমান করোনাভাইরাস সংকটের সময়ে হোয়াইট হোয়াউসের এই সিদ্ধান্তে চিন্তা বাড়ে।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অবশ্য এই ঘটনাকে হালকাভাবে নিতে নারাজ। তিনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখতে বলেছেন।