ল্যাব পরীক্ষায় করোনা প্রতিরোধে কার্যকর ‘নিউমাজেন’

প্রথমে ২৮ জনের করোনা পজিটিভ, পুনরায় পরীক্ষায় ২৭ জনেরই নেগেটিভ
  • 5
    Shares

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম নিউমাজেন নামক এক ওষুধের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছে বিজ্ঞানীরা। ল্যাব পরীক্ষায় নিউমাজেন ওষুধটি ইতোমধ্যে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট অ্যান্ড্রুজের স্পিন-আউট সংস্থা থেকে করোনার প্রতিষেধক হিসেবে নিউমাজেন ওষুধের ল্যাবরোটরি ভিত্তিক গবেষণা করেছে।

এই গবেষণায় সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটির পরীক্ষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটির কারণে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯। এ গবেষণাটি কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা ও সংক্রমণ রোধ সম্পর্কিত ছিল।

নিউমাজেন তৈরিতে অ্যান্টি-ভাইরাল ড্রাগ নিউমিফিল এবং কার্বোহাইড্রেট বাইন্ডিং মডিউল (এমসিবিএম) ব্যবহার করা হয়েছে। যা ফুসফুসের কোষে সারস-কোভি-২ ভাইরাসকে প্রবেশে বাধা দেয়।

ইংল্যান্ডের পাবলিক হেলথ এবং ইউনিভার্সিটি অফ গ্লাসগো সেন্টার ফর ভাইরাস রিসার্চ থেকে গবেষণায় দেখা গেছে নিউমাজেন করোনা সংক্রমণ হ্রাস করে। এমসিবিএমগুলো সারস-কোভি-২ ভাইরাসকে হ্রাস করতে দেখা গেছে। সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিত্সা উভয়ই ক্ষেত্রেই এ ফল পাওয়া যায়।

নিউমজেনের প্রধান নির্বাহী ডগলাস থমসন বলেছেন, তিনটি গবেষণার ইতিবাচক ফলাফল থেকে দেখা গেছে, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিত্সায় নিউমজেন ওষুধের সম্ভাবনা রয়েছে।

আমাদের লক্ষ্য এখন কোভিড-১৯ এর প্রতিরোধ ও চিকিত্সার জন্য দ্রুত ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু করা। ইতোমধ্যে নিউমাজেন ওষুধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ভাইরাল ড্রাগ নিউমিফিল ফ্লু, শ্বাসযন্ত্রের সিনিয়েন্সিয়াল ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকর হবে বলেই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।